SkillBox HelpBD: Outsourcing

Hot

Post Top Ad

Showing posts with label Outsourcing. Show all posts
Showing posts with label Outsourcing. Show all posts

Monday, November 21, 2016

মহাত্মা গান্ধী'র হত্যাকারী উগ্রবাদী নাথুরাম গডসে'র সেই ঐতিহাসিক জবানবন্দী (ইতিহাসের একটি জঘন্য অধ্যায়)

Monday, November 21, 2016 0


মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী হত্যাকাণ্ড উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। গান্ধীর হত্যাকারী ছিলেন তার মতোই একজন উচ্চশ্রেণীর ব্রাহ্মণ। তার নাম নাথুরাম গডসে।। গান্ধী হত্যাকাণ্ডে গডসের যে যুক্তি ছিল তা তার একার ছিল না। হিন্দুদের একটি বিরাট অংশ গডসের যুক্তি সঠিক বলে মনে করতো। গডসের ফাঁসি হয়েছে একথা ঠিক। তবে তিনি যে চিন্তায় আলোড়িত হতেন সে চিন্তার মৃতু্য হয়নি। এখনো ভারতের কট্টরপন্থি এবং উগ্রবাদী হিন্দু গডসের চিন্তা ও চেতনায় আলোড়িত হয়। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। আদালতে দেয়া তার জবানবন্দির আলোকে নাটক মঞ্চস্থ করে।

নাথুরাম গডসে হত্যাকারী হলেও তিনি অল্পশিক্ষিত ছিলেন না। গডসে ছিলেন তার সময়ের শিক্ষিত লোকদের একজন। হিন্দু ইতিহাস ও হিন্দু শাস্ত্র এবং তদানীন্তন ভারতীয় রাজনীতি সম্পর্কে ছিল তার গভীর জ্ঞান। হিন্দু মন-মানসিকতা ও চেতনার আলোকে তার কাছে মনে হয়েছিল, গান্ধী পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় সায় দিয়ে হিন্দুদের পুণ্যভূমিকে দ্বিখণ্ডিত করেছেন। গডসে বিশ্বাস করতেন, গান্ধী মুসলিম লীগ ও মুসলমানদের রাজনৈতিক ছাড় দিয়েছেন। হিন্দু স্বার্থের চেয়ে তিনি মুসলিম স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। জিন্নাহর প্রতি নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করছেন। এছাড়া, গান্ধী রাষ্ট্রভাষা হিসাবে হিন্দির দাবিকে অগ্রাহ্য করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর ভূমিকাকে নাথুরাম গডসে সমর্থন করলেও ভারতীয় রাজনীতিতে তার ভূমিকাকে পুরোটাই অন্যায় বলে বিবেচনা করেছেন। গান্ধীর অহিংস বাণী ও সত্যাগ্রহ ছিল তার দৃষ্টিতে হিন্দু ইতিহাসের পরিপন্থি। তিনি তাকে ব্রিটিশ রাজের অনুগত ব্যক্তি ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারেননি। তিনি মনে করতেন, অষ্টাদশ শতাব্দীতে মোগলদের বিরুদ্ধে মারাঠা দসু্য শিবাজি, রাজা রাবনের বিরুদ্ধে ভগবান রাম ও পৌরাণিক কংসের বিরুদ্ধে অর্জুনের মতো হিন্দু বীরদের সহিংস লড়াইয়ের আদর্শ থেকে বিচু্যত হয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অহিংস পথ অবলম্বন করে গান্ধী হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছেন। তাই তাকে হত্যা করা পুণ্যের কাজ। গডসে এ সিদ্ধান্তে আসেন যে, জাগতিক বিচারে তার পরিণাম যাই হোক, পরজন্মে তিনি মুক্তি পাবেন। শুধু তাই নয়, গান্ধী হত্যাকাণ্ড সফল হলে তার স্বধর্মের অনুসারী ভারতের ৩০ কোটি হিন্দুও অবিচারের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাবে। গান্ধী হত্যাকাণ্ডে এগুলোই ছিল নাথুরাম গডসের যুক্তি।

১৯৩৪ সালের জুলাই থেকে ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ছয়বার গান্ধীকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়। নাথুরাম গডসে ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবার গান্ধীকে হত্যার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হয়ে তিনি আবার ১৯৪৮ সালের ২০ জানুয়ারি একই চেষ্টা চালান। পরপর দু'বার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বার ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি তিনি সফল হন। সেদিন গান্ধী দিলিস্নতে বিড়লা হাউসে এক প্রার্থনা সভায় যোগদান করেছিলেন। সেখানেই নাথুরাম গডসের গুলিতে তিনি নিহত হন। গান্ধীকে হত্যা করার জন্য গডসের কোনো অনুতাপ ছিল না। তিনি প্রাণভিক্ষাও চাননি। প্রাণদণ্ডের জন্য তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

সাধারণত মানুষ মৃতু্য চিন্তায় অধীর হয়। কিন্তু গডসের মধ্যে সে ধরনের অধীরতা দেখা যায়নি। মৃত্যুকে তিনি হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন। কিন্তু কেন? এই 'কেন'র জবাবও রয়েছে। গডসে নিজের জবানিতে সব বলে গেছেন। গডসে এ জবানবন্দি দিয়েছিলেন আদালতে। তার জবানবন্দি একটি ঐতিহাসিক দলিল। এটি পাঠ করলে বহু জিজ্ঞাসার জবাব পাওয়া যাবে। জানা যাবে গান্ধী হত্যাকাণ্ডে গডসের কেন কোনো অনুশোচনা ছিল না। শুধু যে ব্যক্তি গডসের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার নাগাল পাওয়া যাবে তাই নয়, জানা যাবে হিন্দুদের একটি অংশের উগ্রবাদী মানসিকতা ও ভারতীয় রাজনীতির আরেকটি পরিচয়। গডসের সেই জবানবন্দির বর্ণনা দেয়া হলোঃ

'একটি নিবেদিতপ্রাণ ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম নেয়ায় আমি স্বাভাবিকভাবে হিন্দু ধর্ম, হিন্দু ইতিহাস ও হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। হিন্দুত্বের প্রতি আমার গভীর মমত্ববোধ জেগে উঠে। বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমার মধ্যে কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোড়ামিমুক্ত স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ঘটে। যে জন্য আমি অচ্ছুত প্রথা ও জন্মগত বর্ণভেদ উচ্ছেদে নিজেকে নিয়োজিত করি। আমি খোলাখুলি জাতপাত বিরোধী আন্দোলনে যোগদান করি এবং বিশ্বাস করতে শুরু করি, সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রশ্নে প্রতিটি হিন্দুর মর্যাদা সমান। শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতেই উচ্চ-নিচ ভেদাভেদ হতে পারে। এ ভেদাভেদ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ বর্ণের বা পেশার কারণে হতে পারে না। আমি প্রকাশ্যে বর্ণবাদ বিরোধী ভোজে অংশ নেই। এসব ভোজে হাজার হাজার হিন্দু ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, কায়স্থ, বৈষ্য, চামার ও বাঙ্গি যোগ দেয়। আমরা বর্ণভেদ প্রথা ভেঙ্গে দেই এবং একে অপরের সঙ্গে খাবার খাই।

'আমি প্রাচীন ও আধুনিক ভারতের ইতিহাস পাঠ করেছি। ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও রাশিয়ার মতো কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ সম্পর্কেও পড়াশোনা করেছি। তাছাড়া, দাদাভাই নওরোজি, স্বামী বিবেকানন্দ, গোখলে ও তিলকরত্নের লেখা বই-পুস্তক ও বক্তৃতাও প্রচুর পাঠ করেছি। শুধু তাই নয়, আমি সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদের মূল বিষয়বস্তুও পাঠ করেছি। তবে আমি বিশেষভাবে পাঠ করেছি বীর সাভারকার ও গান্ধীজীর লেখা বই-পুস্তক ও তাদের বক্তৃতা। আমি বিশ্বাস করি, বিগত ত্রিশ বছর যাবৎ এ দু'ব্যক্তির চিন্তা ও কার্যকলাপ ভারতীয়দের যতদূর প্রভাবিত করেছে অন্য কোনো ব্যক্তির চিন্তা ও আদর্শ ততটুকু প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়নি। এসব পড়াশোনা ও চিন্তা-ভাবনা থেকে আমি ভাবতে শুরু করি, একজন দেশপ্রেমিক ও বিশ্ব নাগরিক হিসাবে হিন্দুরাজ ও হিন্দুত্ব প্রতিষ্ঠা করাই আমার প্রথম কাজ। ৩০ কোটি হিন্দুর ন্যায়সঙ্গত স্বার্থরক্ষা এবং তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানবজাতির এক-পঞ্চমাংশের স্বাধীনতা ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এ বিশ্বাস আমাকে হিন্দু সনাতনী আদর্শ ও কর্মসূচির প্রতি আত্মনিয়োগে অনুপ্রাণিত করে। আমি আরো বিশ্বাস করতে শুরু করি, হিন্দু সনাতনী আদর্শই কেবল আমার মাতৃভূমি হিন্দুস্তানের জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন ও সংরক্ষণ করতে পারে।

১৯২০ সালে লোকমান্য তিলকের মৃত্যুর পর থেকে প্রথমবার কংগ্রেসে গান্ধীজীর প্রভাব বৃদ্ধি পায় এবং পরে কংগ্রেসে তার প্রভাব নিরংকুশ হয়ে দাঁড়ায়। জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য গান্ধী যে ভূমিকা পালন করেছেন, তা ছিল তাদের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। গান্ধীর অহিংস ও সত্যাগ্রহ শেস্নাগানের ফলে জনগণের মধ্যে তার প্রভাব আরো বৃদ্ধি পায়। কোনো সচেতন ও শিক্ষিত লোক এ শেস্নাগানের বিরোধিতা করেনি। এসব শেস্নাগানে কোনো নতুনত্ব ছিল না। যে কোনো গণআন্দোলনেই এসব শেস্নাগান দেয়া হয়। তবে কখনো কখনো দেশ আমাদেরকে অহিংসার পথ অগ্রাহ্য করতে এবং শক্তি প্রয়োগে বাধ্য করে। আমি কখনো এ কথা চিন্তা করিনি যে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ অন্যায়। আমি আগ্রাসী শত্রুকে শক্তি প্রয়োগে পরাভূত করা এবং প্রতিরোধ করা আমার ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য বলে মনে করেছি। রামায়ণের বর্ণনা অনুযায়ী রাম সীতাকে উদ্ধারে রাজা রাবনের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন। মহাভারতের বর্ণনানুযায়ী কৃষ্ণ কংসের পাপাচারের অবসান ঘটাতে তাকে হত্যা করেছিলেন এবং অর্জুনকে তার আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে লড়াই করে তাদেরকে হত্যা করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাকে পরম পূজিত ভীমের সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। কারণ ভীম ছিলেন আগ্রাসীদের পক্ষে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, রাম, কৃষ্ণ ও অর্জনকে সহিংসতার অবতার হিসাবে অভিযুক্ত করে মহাত্মা গান্ধী মানুষের স্বাভাবিক আচরণের প্রতি চরম অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছেন।

'নিকট অতীতে ছত্রপতি শিবাজিই প্রথম মুসলিম আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বীরোচিত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং ভারতে মুসলিম উৎপীড়নের মূলোৎপাটন করেন। আগ্রাসী আফজাল খানকে হত্যা করা ছিল শিবাজির জন্য অবশ্য কর্তব্য। নয়তো তিনি নিজেই নিহত হতেন। শিবাজি, রানা প্রতাপ ও গুরু গোবিন্দের মতো ঐতিহাসিক বীর যোদ্ধাদের বিপথগামী দেশপ্রেমিক হিসাবে নিন্দা করে গান্ধীজী নিজের আত্মম্ভরিতা প্রকাশ করেছেন। গান্ধীজী অহিংস ও সত্যাগ্রহ নীতির নামে দেশে অবর্ণনীয় দুর্দশা ডেকে এনেছেন। পক্ষান্তরে, রানা প্রতাপ, শিবাজি ও গুরুগোবিন্দ তাদের জাতিকে যে মুক্তি এনে দিয়েছিলেন সেজন্য তারা জাতির হূদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবেন।

'গান্ধীজী বিগত ৩২ বছর ধরে যে বাগাড়ম্বর করেছেন সেটা তার মুসলিমপন্থি আমরণ অনশনে পূর্ণতা লাভ করে। গান্ধীর এ অনশন আমাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে যে, দ্রুত তার অস্তিত্ব নাশ করতে হবে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের অধিকার ও কল্যাণে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। কিন্তু ভারতে প্রত্যাবর্তন করার পর তার মধ্যে রাজানুগত্যের একটি মনোভাব জন্ম নেয়। তিনি এমন এক পরিস্থিতিতে কাজ করতে থাকেন যেখানে তার কাজকর্মের ভালোমন্দের বিচার করতেন শুধু তিনি নিজে। দেশ যদি তার নেতৃত্ব চেয়ে থাকে তাহলে দেশকে তার অভ্রান্ততাও গ্রহণ করতে হবে। আর যদি তা না হয়ে থাকে তাহলে তাকে কংগ্রেস থেকে দূরে সরে যেতে হবে এবং নিজের পথে চলতে হবে। এ অবস্থায় কোনো মাঝামাঝি পথ নেই। হয়তো কংগ্রেসকে তার পাগলামি, খামখেয়ালি ও পুরনো ধ্যানধারণা গ্রহণ করতে হবে নয়তো কংগ্রেসকে গান্ধীকে বাদ দিয়ে চলতে হবে। অসহযোগ আন্দোলন হচ্ছে গান্ধীর মস্তিষ্কপ্রসূত চিন্তা। এ আন্দোলনের কৌশল কারো জানা ছিল না। কখন আন্দোলন শুরু করতে হবে এবং এ আন্দোলনে বিরতি দিতে হবে সবই ছিল গান্ধীর একক সিদ্ধান্ত। এ আন্দোলন ব্যর্থ কিংবা সফল হোক, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই দাঁড়াক তাতে গান্ধীর কিছুই আসতো যেতো না। তার ইচ্ছাই ছিল চূড়ান্ত। 'একজন সত্যাগ্রহী কখনো ব্যর্থ হতে পারে না' এটাই ছিল তার মূলমন্ত্র। কিন্তু সত্যাগ্রহ বলতে কি বুঝায় তিনি ছাড়া তা আর কারো জানা ছিল না। এভাবে গান্ধী নিজেই নিজের কাজকর্মের বিচারক ও জুরি দু'টিই হয়ে দাঁড়ান। কঠোর কৃচ্ছ্রতা, নিরবচ্ছিন্ন কাজ ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ চরিত্রের সঙ্গে উন্মত্ততা ও ছেলেমানুষীর সংমিশ্রণে গান্ধী এক অপ্রতিরোধ্য ও অপরিবর্তনযোগ্য নেতায় পরিণত হন। অনেকেই মনে করতেন, তার রাজনীতি ভুল। কিন্তু এদেরকে হয়তো কংগ্রেস ছাড়তে হয়েছে নয়তো তার খামখেয়ালির কাছে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে। চরম দায়িত্বহীনতার একটি পর্যায়ে গান্ধী একটির পর একটি ভুল করে গেছেন। একটির পর একটি ব্যর্থতা তাকে গ্রাস করছিল। তার নেতৃত্বে উপর্যুপরি দুর্যোগ আসছিল।

'গান্ধীর মুসলিমপ্রীতির পরিচয় ফুটে উঠে ভারতের জাতীয় ভাষার প্রশ্নে তার বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গিতে। এটা সর্বজনবিদিত যে, জাতীয় ভাষা হিসাবে হিন্দির দাবি ছিল সর্বাগ্রে। ভারতে তার ক্যারিয়ারের শুরুতে গান্ধী হিন্দির প্রতি অতীব গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু যখন তিনি দেখতে পেলেন, মুসলমানরা হিন্দি পছন্দ করে না তখন তিনি হিন্দুস্তানী ভাষা হিসাবে আখ্যায়িত অন্য একটি ভাষার প্রবক্তা সাজেন। ভারতের প্রত্যেকেই এ কথা জানে, হিন্দুস্তানী নামে কোনো ভাষা নেই। এ ভাষার কোনো ব্যাকরণ অথবা কোনো শব্দ ভাণ্ডারও নেই। হিন্দুস্তানী ভাষা হচ্ছে একটি কথ্য ভাষা। তবে লিখিত ভাষা নয়। এটা হচ্ছে হিন্দি ও উর্দুর সংমিশ্রণে একটি জারজ ভাষা। গান্ধীর প্রচারণা সত্ত্বেও এটি জনপ্রিয় হতে পারেনি। তিনি মুসলমানদের তুষ্ট করার জন্য বলেছিলেন, হিন্দুস্তানী হবে ভারতের জাতীয় ভাষা। তার অন্ধ অনুসারীরা তাকে অনুসরণ করে এবং তথাকথিত এ ভাষা ব্যবহার করতে শুরু করে। মুসলমানদের সন্তুষ্ট করার জন্য হিন্দি ভাষার সৌকর্য ও মাধুর্য বিসর্জন দেয়া হয়। গান্ধী এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন হিন্দু স্বার্থকে বলি দিয়ে।

'১৯৪৬ সালের আগস্ট থেকে মুসলিম ভাড়াটিয়া বাহিনী হিন্দু নিধনে মেতে উঠে। তদানীন্তন লর্ড ওয়াভেল এসব ঘটনায় মর্মাহত হলেও তিনি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী ধর্ষণ, হত্যা ও অগ্নিকান্ড বন্ধে তার কতৃত্ব প্রয়োগ করেননি। বাংলা থেকে করাচি পর্যন্ত হিন্দুর রক্তে রঞ্জিত হয়। কোথাও কোথাও হিন্দুরা প্রতিশোধ গ্রহণে হামলা চালায়। (প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৬ সালের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার জন্য দু'নো পক্ষই দোষী কিন্তু খেয়াল করুন উগ্রবাদী মানসিকতার জন্য একটি নিদিষ্ট পক্ষের দোষ তার চোখেই পরলো না) 
১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বরে অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। কিন্তু শুরু থেকে এ সরকারের মুসলিম সদস্যরা সরকারের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতে লিপ্ত হয়। মুসলমানরা যে সরকারের অংশ ছিল সে সরকারের বিরুদ্ধে তারা যত বেশি আনুগত্যহীন ও উদ্ধত হয়ে উঠছিল, গান্ধী তত বেশি তাদের প্রতি মোহাবিষ্ট হচ্ছিলেন। সংকট নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ হয়ে লর্ড ওয়াভেল পদত্যাগ করেন এবং লর্ড মাউন্টব্যাটেন তার স্থলাভিষিক্ত হন।

'কংগ্রেস জাতীয়তা ও সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করতো। কিন্তু তারা বেয়নেটের মুখে গোপনে পাকিস্তান দাবি মেনে নেয় এবং জিন্নাহর কাছে নির্লজ্জভাবে আত্মসর্মপণ করে। ভারত বিভক্ত হয় এবং ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ভারতের ভূখণ্ড আমাদের কাছে বিদেশী ভূখণ্ড হিসাবে পরিগণিত হয়। লর্ড মাউন্টব্যাটেন কংগ্রেস সার্কেলে ভারতের শ্রেষ্ঠতম ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল হিসাবে বিবেচিত হচ্ছিলেন। ১৯৪৮ সালের ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ঘোষিত সময়ের ১০ মাস আগে মাউন্টব্যাটেন আমাদেরকে একটি খণ্ডিত ভারত উপহার দেন। এটা ছিল গান্ধীর ৩০ বছরের একনায়কতান্ত্রিক নেতৃত্বের ফসল এবং কংগ্রেস এটাকে বলছে স্বাধীনতা ও ক্ষমতা হস্তান্তর। অবশেষে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের ফানুস এক সময় ফেটে যায় এবং নেহরু ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের সম্মতিতে ধর্মভিত্তিক একটি রাষ্ট্র কায়েম হয়। নেহরু ও তার দোসররা তাদের ত্যাগের এই ফসলকে স্বাধীনতা হিসাবে আখ্যায়িত করেন। কার ত্যাগ? গান্ধীর সম্মতিতে যখন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশকে বিভক্ত করে ফেলে তখন আমার মন ভয়ানক ক্রোধে ফেটে পড়তে থাকে।

'দিলিস্নর কয়েকটি মসজিদ হিন্দুরা দখল করে নিলে গান্ধী আমরণ অনশন শুরু করেন। তিনি শর্ত দেন, এসব মসজিদ খালি করে দেয়া না হলে তিনি অনশন ভঙ্গ করবেন না। কিন্তু যখন পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর ভয়াবহ হামলা চালানো হয় সে সময় গান্ধী টু শব্দটি পর্যন্ত উচ্চারণ করেননি এবং তিনি নিন্দাও করেননি। গান্ধী খুব ধূর্ত। তিনি পাকিস্তানি মুসলমানদের উপর কোনো শর্ত আরোপ করেননি। তিনি জানতেন, অনশন করে মরে গেলেও কোনো পাকিস্তানি মুসলমান তার জন্য দুঃখ পাবে না। এ কারণে তিনি পাকিস্তানি মুসলমানদের উপর কোনো শর্ত আরোপ করেননি। অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানতেন, জিন্নাহ তার অনশনে বিচলিত হবেন না এবং মুসলিম লিগ তার অন্তরাত্মার প্রতি খুব কমই গুরুত্ব আরোপ করে।

'গান্ধীকে জাতির পিতা হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। যদি তাই হয় তাহলে বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশকে ভাঙ্গার সম্মতি দিয়ে তিনি তার পিতৃসুলভ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, গান্ধী তার কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নিজেকে পাকিস্তানের জাতির পিতা হিসাবে প্রমাণ করেছেন। জিন্নাহর বজ কঠিন ইচ্ছাশক্তির কাছে তার অন্তরাত্মা, আধ্যাত্মিক শক্তি ও অহিংস মতবাদ সবই পরাজিত এবং ক্ষমতাহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

'সংক্ষেপে বলতে গেলে আমি আপন মনে ভেবেছি এবং দেখতে পেয়েছি, আমি পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে গেছি। গান্ধীকে হত্যা করলে আমি জনগণের কাছ থেকে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই আশা করতে পারি না এবং আমাকে আমার সকল সম্মান হারাতে হবে। তবে আমি একই সঙ্গে এ কথাও ভেবেছি, গান্ধীর অবর্তমানে ভারতের রাজনীতি নিঃসন্দেহে বাস্তবভিত্তিক বলে প্রমাণিত হবে, প্রতিশোধ গ্রহণের যোগ্য হবে এবং সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে শক্তিশালী হবে। কোনো সন্দেহ নেই, আমার ভবিষ্যৎ হবে পুরোপুরি ধ্বংস। তবে জাতি পাকিস্তানি আগ্রাসন থেকে নিরাপদ হবে। মানুষ আমাকে বোকা কিংবা মাথামোটা বলে উপহাস করতে পারে। তবে জাতি যুক্তির পথ খুঁজে পাবে যা একটি স্বাধীন ও বলিষ্ঠ জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করি। এসব বিষয় চিন্তা করে গান্ধীকে হত্যার জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। কিন্তু এ কথা আমি কারো কাছে প্রকাশ করিনি। আমি আমার দু'হাতে শক্তি সঞ্চয় করি এবং ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি বিড়লা হাউসে প্রার্থনা সভায় গান্ধীকে গুলি করি।

'আমি বলতে চাই যে, আমি এমন এক ব্যক্তির প্রতি গুলিবর্ষণ করেছি যার নীতি ও কার্যকলাপ কোটি কোটি হিন্দুর দুঃখ, দুর্দশা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে। দেশে এমন কোনো আইন নেই যার আওতায় এমন এক অপরাধীর বিচার হতে পারে। তাই আমি তার প্রতি মৃতু্যবাণ নিক্ষেপ করেছি।

'ব্যক্তিগতভাবে কারো প্রতি আমার কোনো বিদ্বেষ নেই। তবে আমি বলতে চাই, এ সরকারের নীতির কারণে তাদের প্রতি আমার কোনো শ্রদ্ধা নেই। এ সরকারের নীতি হচ্ছে দৃষ্টিকটুভাবে মুসলিম ঘেঁষা। একই সঙ্গে আমি বিশ্বাস করি, সরকারের এ মুসলিম ঘেঁষা নীতির মূলে রয়েছে গান্ধীর উপস্থিতি। আমাকে দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নেহরু পুরোপুরি অনবহিত যে, তিনি প্রায়ই যখন ভারতকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে উলেস্নখ করেন তখন তার কথা ও কাজের গরমিল স্পষ্ট ধরা পড়ে। এটা উলেস্নখ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান রাষ্ট্র কায়েমে নেহরু নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং গান্ধীর মুসলিম তোষণ নীতির কারণে তার কাজ সহজতর হয়ে গিয়েছিল।

'আমি যা করেছি তার দায়-দায়িত্ব আমার। তাই আমি আমার দায়ের পরিণতি গ্রহণ করার জন্য আদালতে দাঁড়িয়েছি এবং বিচারক আমার প্রাপ্য শাস্তি আমাকে দেবেন। আমি আরো বলতে চাই, করুণার জন্য আমি প্রার্থনা করছি না। আমি এটাও চাই না কেউ আমার পক্ষ থেকে করুণা ভিক্ষা করুক। আমি যা করেছি সে জন্য সকল মহল থেকে আমাকে ভর্ৎসনা করা হচ্ছে। এতে আমার আস্থায় বিন্দুমাত্র ফাটল ধরেনি। আমার এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, সৎ ইতিহাসবিদগণ আমার কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং ভবিষ্যতে একদিন প্রকৃত সত্যের মূল্য দেবেন।' 


মোটকথা মহাত্মা গান্ধী হিন্দু হয়েও একমাত্র এবং শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের 'সাম্প্রদায়িক নেতা' না হয়ে থেকে তাদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি সকল দল ও মতের স্বার্থ রক্ষা করে একটি সুন্দর বসবাসযোগ্য এবং অসাম্প্রদায়িক ভারত রাস্ট্র গড়তে চেস্টা করাটাই তার জন্য কাল হল। 

আর এও শোনা যায় দেশ ভাগের পর পাকিস্থান ভারতের কাছে ৫২ কোটি টাকা পেত। ভারতও ঐ টাকা ইনস্টলমেন্টে শোধ করে আসছিলো। কিন্তু হঠাৎ নেহেরু + প্যাটেল সরকার টাকা দেবেনা বলে সিন্ধান্ত নেয়। এতে গান্ধী অনশনে যান ... দাবী পাকিস্থানি ভাইয়ের টাকা শোধ করতে হবে। বাধ্য হয়ে নেহেরু/প্যাটেল এসে বলেন যে আপনি অনশন ভঙ্গ করেন, আমরা টাকা শোধ করে দেব। ঐ অনশন থেকে ফিরে নিজ বাসার প্রার্থনা সভাতে যোগ দিয়েছিলেন গান্ধী (কোনো জনসভাতে নয়)। সেখানেই উনাকে মারা হয় এবং তাকে হত্যা করতে নাথুরাম গডসের কট্টর মুসলিম বিরোধিকে কাজে লাগানো হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, এটা গান্ধীকে মারার ৬ষ্ঠ প্রচেষ্ঠা ছিল। এর আগে ৫ বার ব্যর্থ হলেও এবার তাঁর উপর নেহেরু/প্যাটেল সরকার অসন্তুষ্ট ছিল ... তাই হত্যা প্রচেষ্ঠা সফল হয়েছিল।
Read More

বিতর্কিত গান্ধী

Monday, November 21, 2016 0
গান্ধীজির বিতর্কিত ব্রহ্মচর্য পরীক্ষা স ম্প র্কে অনেকেই কমবেশি জানেন ...এখন আমি সে স ম্প র্কেই আলোকপাত করার চেষ্টা করব ....গান্ধীজি নাকি এই ব্রহ্মচর্য পরীক্ষা করার জন্য নারীদের সাথে ন গ্ন হয়ে রাত্রি যাপন করতেন ......তাঁর এই রাত্রি যাপন কে অনেকেই সুনজরে দেখত না ....এ স ম্প র্কে বল্লব ভাই প্যাটেলের মতামত আপনাদের সামনে তুলে ধরছি সর্দারজি বলেছিলেন গান্ধীজিকে আপনি ব্রহ্মচারী নন..অধর্ম চারী ....ব্রহ্মচারী হলে এমন পরীক্ষা নিষ্প্রয়োজন ...
অধ্যাপক নির্মল বসুও গান্ধীজির এই ধরনের রাত্রি যাপনকে সুনজরে দেখেননি ..তিনি গান্ধীজির এধরনের আচরণ কে বিকৃত যৌনাচারের সাথে তুলনা করেছিলেন ....অধ্যাপক নির্মল বসু এও বলেছিলেন যে গান্ধীজির এধরণের কর্ম কান্ড অনেকে সময়ই নারীদের মানসিক অবসাদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল ........নিজের নাতনি মনু গান্ধী বলেছিলেন গান্ধীজিকে ...তুমি আমাকে একেবারে শেষ করে দিয়েছ......তবে
গান্ধীজি কেন ব্রহ্মচর্য পালন করতে চেয়েছিলেন এর উত্তর পেতে গেলে আমাদের কে একটু গান্ধীজি বিবাহিত জীবনে যেতে হবে ....গান্ধীজি সেক্স নিয়ে খোলাখুলি ভাবিই আলোচনা করতেন ..তিনি নিজে বলেছিলেন ...তাঁর পিতা যখন অসুস্থ ছিল মৃত্যু আস ন্ন ভাব ....তখন তিনি প্রতিদিন পিতার পাশে থেকে তাঁর সেবা করতেন ...এভাবে অনেক দিন চলল ...একদিন রাতে গান্ধীজি পিতার দেখাশোনার দায়িত্ব অন্যকে দিয়ে নিজের শোওয়ার ঘরে যান ....অনেকদিন পর স্ত্রী র সাহচর্য পাওয়ার তাঁর প্রচন্ড কামভাব জাগ্রত হয় এবং তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন করেন কিছুক্ষণ পর বাড়ির চাকর গান্ধীজি কে খবর দেন তার পিতা মারা গেছেন ...এতে গান্ধীজি খুবই লজ্জীত বোধ করেন এবং ব্রহ্মচর্য পালনের কথা ভাবেন বলে এক সাংবাদিক কে বলেছিলেন ......গান্ধীজি পাঁচ ছেলের পিতা ছিলেন. ...তাই প্রশ্ন থেকেই যায় যিনি পাঁচ টি ছেলের জন্ম দিয়েছেন তাঁর পক্ষে মহিলাদের সাথে রাত্রি যাপন করে ব্রহ্মচর্য পালন করা সম্ভব ......তাছাড়া যিনি নিজে বলেছেন যে তিনি তাঁর পিতার মৃতুর কয়েক ঘন্টা আগে পর্যন্ত অতিরিক্ত কাম নেশায় স্ত্রীর সাথে যৌন স ম্প র্কে আবদ্ধ. হয়েছিলেন ....
.....ছবিটিতে গান্ধীজির সাথে সুশীলা নায়ার. এবং মনু গান্ধী কে দেখা যাচ্ছে
Read More

নেহেরু পরিবারের গান্ধী পরিবার হওয়ার ইতিহাস

Monday, November 21, 2016 0
1912 সালের 12. ই সেপ্টেম্বর বোম্বাই এর এক পা র্সি পরিবার জন্ম গ্রহণ করেন ফিরোজ জাহাঙ্গীর ...যার সঙ্গে ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিবাহ হয়েছিল

এলাহাবাদে ফিরোজের সঙ্গে প্রথম ইন্দিরা গান্ধীর দেখা হয় ...সেখানে ইন্দিরা এবং তাঁর মা কমলার সঙ্গে ফিরোজের ভালো স ম্প র্ক গড়ে ওঠে ....তখন ইন্দিরার বয়স ছিল মাত্র 16 বছর ....ফিরোজ ইন্দিরা কে প্রেম নিবেদন করেন ..কিন্তু কমলা গান্ধী সেই প্রেম নিবেদন খারিজ করে দেন ....1936 সালে কমলা গান্ধী মারা যাবার পর ইন্দিরা একা হয়ে পড়ে ....জহরলাল তখন ইন্দিরা কে বিদেশে পড়াশোনা জন্য পাঠিয়ে দেন ...কিন্তু বিদেশ থেকে জহরলালের কাছে একের পর এক চিঠি আসতে থাকে তাতে লেখা বাবা আমি ফিরোজ কে ভালবাসি .....জহরলাল এতে কিছুটা হতাশ হন ...কারণ পাত্র একজন পারসিক .....আর এই বিবাহ হলে খবরের কাগজে নানা কথা লেখা হতে পারে ...তাই কোনো উপায় না দেখে জহরলাল মহা ত্মা গান্ধীর কাছে যান .....গান্ধীজি তখন সব কথা শুনে ফিরোজ কে দত্তক নেন নিজের পুত্র হিসাবে ....যার ফলস্বরূপ ফিরোজ জাহাঙ্গীর হয়ে যায় ফিরোজ গান্ধী .তারপর ইন্দিরা গান্ধীর বিবাহ হয় ফিরোজ গান্ধীর সঙ্গে .....সেই সূত্র থেকেই নেহেরু পরিবার গান্ধী পরিবার হিসাবে পরিচিতি পায় 
Read More

শুধু একমুঠো তোমাকে চেয়েছি

Monday, November 21, 2016 0
তোমাকে এক টুকরো পাবো বলে
ভাঙা শামুকের খোলে কেটেছি পা
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল রঞ্জিত করে
প্রত্যাবর্তন করেছি প্রণয়ের রাজধানী
এখন ফ্যাকাশে দুহাত পেতে তোমার কাছে
ফিরিয়ে চাই চিমসে ধমনীর অধিকার

তোমাকে একটি বিন্দু পাবো বলে
বাংলার নদী নদে ভাসিয়ে দিয়েছি
জন্ম মথিত মৌলিক কান্না,
দরদর ঝরা ঘামে দেখো দক্ষিণ সাগর
হয়ে গেছে লবণের কারখানা

তোমাকে এক চিমটি পাবো বলে
উনোনের আঁচে সেদ্ধ হচ্ছি যুগ যুগান্তর
জীবনের রকমারি ব্যঞ্জনে রয়ে গেছে অতৃপ্তি
জিভের বিস্বাদে তোমার অসম্পন্নতা

তোমাকে এক মুহূর্ত পাবো বলে
পলক ফেলিনি এযাবতকাল
আমার সকাল সারাবেলা কেটে গেছে
বিষণœ বেহালার ছড়িতে ছিলায় পালক ঘষে

মানুষের ক্ষুদ্র কাটা চোখে অদ্ভুত রকম
স্বপ্ন ধারণ ক্ষমতা, আমার অতটা নেই
শূন্য ভাতের থালায় রোজ বেজে ওঠা
অনাহারক্লিষ্ট করুণ শিশুর আকুতির মতো
আমি শুধু একমুঠো তোমাকে চেয়েছি। 
Read More

ফিনিক্স পাখি নিয়ে একটা মাইথলজি আছে জানেন কি? কি সেটা?

Monday, November 21, 2016 0
প্রথম মতানুসারে;

গ্রীক উপকথার এক চিরঞ্জীব আগুনপাখির নাম ফিনিক্স। গ্রিক ভাষায় phoenix মানে ‘দি ব্রিলিয়ান্ট ওয়ান’ কিংবা পার্পল বা লাল এবং নীলের মিশ্রণে সৃষ্ট রং। প্রাচীন মিথ অনুসারে ওই আগুনরঙা ফিনিক্স পাখিটি নাকি ৫০০ বছর বেঁচে থাকত। তারপর জীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে পাখিটি দারুচিনি, গন্ধরস প্রভৃতি সুগন্ধী উদ্ভিদ দিয়ে তৈরি করত একটি নীড়, তারপর সে নীড়ে ধরিয়ে দিত আগুন। নীড়সহ ফিনিক্স পাখিটি পুড়ে ছাই হয়ে যেত। কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়, কারণ ভস্মিভূত ছাই থেকে আবার জেগে উঠত আরেকটি অগ্নিবর্ণ ফিনিক্স পাখি। তারপর নতুন পাখিটি হেলিওপোলিস নামে প্রাচীন মিশরের একটি নগরে যেত সেখানকার সূর্য দেবতাকে শ্রদ্ধা জানাতে। এমন সব বিচিত্র স্বভাবের অধিকারী ছিল এই ফিনিক্স পাখি।
প্রথম ফিনিক্স পাখির কল্পনা করেছিল ফিনিশিয় সভ্যতা। ফিনিশিয় (Phoenicia) সভ্যতা আর ফিনিক্স পাখির গ্রিক নামের মধ্যে একটি যোগসূত্র পাওয়া যায়। প্রাচীন মিশরে ফিনিক্স পাখিকে বলা হত বেনু বা বেন্নু।মিশরীয় ধর্মে এই বেনু পাখি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আসলে বেনু হল এক ধরণের পার্পল হিরণ। নীল নদের প্লাবনের সময় নীল রঙের সুন্দর এই পাখিটি আশ্রয় নেয় উঁচু জায়গায় । তখন মনে হয় পানিতে সূর্য ভাসছে। এই কারণে এ পাখির নাম হয়েছে ‘উদিত জন’ বা ‘দি অ্যাসেন্ডিং ওয়ান’ মানে, যা উঠছে, যা মনে করিয়ে দেয় সূর্য দেবতা ‘রা ’ কে। প্রাচীন মিশরে আত্মাকে বলা হত,‘বা। বেনু পাখিকে সূর্য দেবতা ‘রা ’ এর আত্মা মনে করা হত। এভাবেই পার্পল হিরণ পাখিটির নাম হয়, বেনু বা বেন্নু। হেলিওপোলিস মানে সূর্যের নগরী। এটি প্রাচীন মিশরে অবস্থিত ছিল। প্রাচীন হেলিওপোলিস নগরে অধিবাসীরা বেনু পাখি কে ভীষণ শ্রদ্ধা করত।
ফিনিক্স দেখতে অপূর্ব সুন্দর। এর পালক ও লেজ সোনালি ও টকটকে লাল রঙের। কারণ, লাল রং সূর্যর প্রতীক। ফিনিক্স পুর্নজন্ম ও নিরাময়ের প্রতীক। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন জীবনের দিকনির্দেশনা। ফিনিক্স পাখি শীতল কুয়ার ধারে বাস করত, সকালে আসত কুয়ার কাছে, স্নান করত, গাইত গান । এত সুন্দর পাখি আর এত সুন্দর তার কন্ঠস্বর যে সূর্যও নাকি সে গান শোনার জন্য থেমে যেত। পাখিটি কখনও আহত হলে নিজেই সারিয়ে তুলতে পারে। সূর্যর অস্ত যাওয়া ও উদয় হওয়া মানবজীবনের জীবন-মৃত্যুর রূপকও বটে। তবে জীবনদাতা সূর্য ও ফিনিক্স পাখি উভয়ই শান্তির প্রতীক।

দ্বিতীয় মত; 

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে পবিত্র অনলপ্রভা থেকে ফিনিক্স পাখির সৃষ্টি। ফিনিসীয় পুরাণ (বর্তমান লেবানন, সিরিয়া, প্যালেস্টাইন, ইসরাইল), চাইনিজ পুরাণ, গ্রিক পুরাণ এবং প্রাচীন মিসরীয়দের বর্ণনায়ও ফিনিক্স পাখির উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রিক পুরাণ অনুসারে ফিনিক্স হলো এক পবিত্র ’অগ্নি-পাখি’। আর এটি এমনই পবিত্র আগুনপাখি, যার জীবনচক্র আবর্তিত হয় হাজার বছর ধরে। মনোলোভা স্বর্ণের লেজ এবং লাল, গোলাপি ও নীল রঙের পালক দ্বারা আবৃত ময়ূরসদৃশ এই পাখির প্রকৃত অর্থে কোনো মৃত্যু নেই। হাজার বছর নির্বিঘ্নে বেঁচে থাকতে পারে এরা। যমদূত আসার ঠিক আগেই ফিনিক্স পাখি নিজের বাসা নিজেই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আর নির্মমভাবে দগ্ধিভূত এই পাখি ও তার বাসার ভস্ম থেকেই জন্ম নেয় নতুন ডিম। প্রাণ পায় নতুন জীবনের, শুরু হয় আবারও জাতিশ্বর ফিনিক্সের অবিনাশী যাত্রা। বেঁচে থাকে আগের জনমের আয়ুষ্কালের মতোই। প্রচলিত লোককাহিনী মতে, ফিনিক্স পাখিকে হিংসুকেরা আঘাত করলে এর পালক থেকেও জন্ম নেয় নতুন প্রাণ। এদের চোখের পানিও বদলে দিতে পারে কারও জীবন। অগ্নি ও পবিত্রতার বদৌলতে এরা মৃত্যু পথযাত্রীদেরও সাময়িক জীবন দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
অন্য কাহিনী অনুযায়ী ফিনিক্স পাখির পুড়ে যাওয়া ছাই ডিমের আকারে মমি করে মিসরের সূর্য শহর কিংবা গ্রিসের দ্য সিটি অব সান-এ রেখে দেওয়া হয়। একদিন ওই ছাইয়ের ডিম থেকেই পাখিটি পুনর্জন্ম লাভ করে এবং দেবপাখির প্রতীক হয়ে যায় গ্রিকদের কাছে।
ফিনিক্স পাখি খ্রিস্টানদের শিল্পকলা, সাহিত্য ও প্রতীক বাদে খুব দ্রুত পুনরুত্থিত হয় এবং তা খুব জনপ্রিয়ও হয়। খ্রিস্টানরা তাকে তাদের পুনরুত্থান, অমরত্ব ও মৃত্যুর পর জীবিত হওয়ার প্রতীকও মনে করতে থাকে। এই গ্রিক ফিনিক্স পাখি পরবর্তী সময়ে পৃথিবীর অনেক সভ্যতায় ঐশ্বরিক প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। মিসরীয়রা ফিনিক্সকে বক জাতীয় পাখি মনে করে একে ডাকত বেন্নু পাখি বলে। বেন্নুকে বলা হয় সূর্যদেবতা ’রা’ এর আত্মা। পরবর্তী সময়ে রোমান চিত্রকলায় ফিনিক্স ঈগলরূপে প্রতিষ্ঠা পায়।
পারস্যের লোককাহিনী অনুযায়ী মহাবীর রুস্তমের বাবা জাল এই প্রতীক পাখিকে সযত্নে লালন করেছিলেন। গৃহহীন এই পাখিকে তিনি পেয়েছিলেন আলব্রুজ পাহাড়ে।
লেবানন তাদের প্রাচীন এবং আধুনিক সংস্কৃতির প্রধান বাহক মনে করে ফিনিক্সকে। লেবানন ও বৈরুতের ইতিহাসে এই প্রতীকের ভাস্কর্য সাতবার ধ্বংস ও পুননির্মাণ করা হয়েছে।

Read More

How to Convert Bitcoin as Real Money ।।বিটকয়েন যেভাবে ক্যাশ করবেন।

Monday, November 21, 2016 0
How to Convert Bitcoin as Real Money ।।বিটকয়েন যেভাবে ক্যাশ করবেন। 
Bitcoin থেকে Free income তো অনেকেই করছেন কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেই বিটকয়েন এর টাকা ক্যাশ করা নিয়ে। সরাসরি অন্যের কাছে কারো কাছে বিটকয়েন সেল করে ক্যাশ করা যায়। কিন্তু সবসময় ক্রেতা খুজে পাওয়া যায় না। এরকম সমস্যা থেকে থেকে মুক্তি পারেন সহজেই। ALFcashier  একটা exchanger site. এই সাইট থেকে আপনি বিটকয়েন কে অন্য যেকোন currency তে exchange করতে পারবেন। যেমন Perfect Money,  Okpay, LeqPay এমনকি আপনি সরাসরি  Bank transfer ও নিতে পারবেন।
শুরুতে আপনাকে এই সাইটে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। একাউন্ট খোলার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন..

আর বিটকয়েন আয় করে জমা রাখার জন্য Coinbase এ একটা Account করে নিন। Account Wallet পেতে CoinBase লেখাতে ক্লিক করে Create New Wallet বা Sign-Up করে আয় করা শুরু করুন।

আর বিতকয়েন আয় করতে চাইলে Free Earn Bitcoin লেখাতে ক্লিক করে Epay.info তে একান্ট তৈরি করে শুরু করে দিন কাজ। 


ধন্যবাদ
⏮⏮⏮⏮খোদা হাফেজ➤➤➤➤ 
Read More

Top 10 Paying Revshare Sites : সেরা ১০ টি Revshare ওয়েবসাইটে আয় করুন ১০০ থেকে ৫০০ ডলার।

Monday, November 21, 2016 2



সেরা ১০ টি Revshare ওয়েবসাইটে আয় করুন ১০০ থেকে ৫০০ ডলার। 

* Online Since: March, 2015
* Adpack Price: 5$, 10$, 25$, 50$
* Membership fee: Free (Level 1)
* Revenue Share: 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 10% (Level 1)
* Min Withdraw: 5$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, 2Pay4You


* Online Since: April, 2016
* Adpack Price: 2$, 25$, 50$
* Membership fee: Free
* Revenue Share: upto 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 10% (Level 1)
* Min Withdraw: 5$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, 2Pay4You


* Online Since: August, 2016
* Adpack Price: 5$, 15$, 35$, 75$
* Membership fee: Free
* Revenue Share: upto 130%
* Daily Return: 2-3%
* Referrer comm: 12% (Level 1: 8%, level 2: 2%, Level 3: 2%)
* Min Withdraw: 5$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Payeer


* Online Since: February, 2016
* Adpack Price: 10$, 50$
* Membership fee: Free (Level 1)
* Revenue Share: 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 15% (Level 1: 8%, level 2: 4%, Level 3: 1%, Level 4: 1% Level 5: 1%)
* Min Withdraw: 10$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, Payeer, Neteller, Bankwire

* Online Since: March, 2016
* Adpack Price: 25$, 50$
* Membership fee: Free (Level 1)
* Revenue Share: 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 15% (Level 1: 8%, level 2: 4%, Level 3: 1%, Level 4: 1% Level 5: 1%)
* Min Withdraw: 25$
* Payment Accept: Paypal, Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, Advcash, Bankwire
Compnay


* Online Since: January, 2016
* Adpack Price: from 1$
* Membership fee: Free (Level 1)
* Revenue Share: 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 12% (Level 1: 8%, level 2: 4%, Level 3: 2%)
* Min Withdraw: 1$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, Visa, MasterCard

* Online Since: Februray, 2016
* Adpack Price: 20$
* Membership fee: Free
* Revenue Share: 118%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 12% (Level 1 to Level 7)
* Min Withdraw: 5$
* Payment Accept: Payza, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay, OKpay


* Online Since: November, 2016
* Adpack Price: 0.05BTC
* Membership fee: Free (Level 1)
* Revenue Share: 120%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 10% (Level 1)
* Min Withdraw: 0.01BTC
* Payment Accept: Bitcoin


* Online Since: February, 2014
* Adpack Price: 20$
* Membership fee: Free
* Revenue Share: 150%
* Daily Return: 2%
* Referrer comm: 5% (Level 1)
* Min Withdraw: 1$
* Payment Accept: Neteller, OKpay, Payeer, Paytoo, Perfect Money, Bitcoin, Solid Trust Pay


In today’s post, I’d like to focus our attention on yet, another HYIP. Everywhere we look these days there is one HYIP after another, but is it the solution to all our problems?
Traffic Dictator promises us to “earn wealth” by investing in a certain sum of money. Invest $5 and in 40 days, you might stand to receive 120% in 40 days. If you do the math, that is a $1 profit.
Now let’s say we want to earn a $200 profit, in the next 40 days. That means we would need to spend $5 times 200 adpacks, which is equivalent to a $1,000 investment. In order to make just $200, that means we’d need to spend $1,000, and that doesn’t even take risk into consideration.



আজকের মত এখানেই শেষ। আগামি তে আমি আপনাদের কে আরো কিছ Legit & Trusted Sites  সম্পর্কে জানাবো। ধন্যবাদ।

===➽➽➽খোদা হাফেজ===➽➽➽ 
Read More

Sunday, November 20, 2016

AdsTimer থেকে Invest ছাড়ায় আয় করুন ১০০০ ডলার।

Sunday, November 20, 2016 0


আমরা জানি,
Adstimer -ই বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় ইনকাম সাইট । যারা ইনভেস্ট করে আয় করতে চান তারা নিঃসন্দেহে এইখানে ইনভেস্ট করে আয় করতে পারেন । তবে ইনভেস্ট না করেও আয় করা যায়। ইনভেস্ট করলে মিনিমাম ৯$ বা ১৭$ হাতে নিয়ে ইনকাম শুরু করুন এবং একটি Group লেভেল মেইনটেইন করুন। তবে $৯ দিয়ে ৩ নম্বর Group এ এবং ১৭$ দিয়ে Group  ৪ থেকে শুরু করলে সব থেকে ভালো হয়। কেননা এই Group গুলোর ইনকামটা বেশি। কিন্তু প্রথমে ইনভেস্ট না করে আগে ফ্রি মেম্বার হয়ে কাজ করুন তারপর না হয় ইনভেস্ট করায় ভাল। 
এবার আসুন সাইটটি নিয়ে একটু আলোচনা করি…

Adstimer এ আমি এখন Group  ১ এ আছি। এখানে প্রতিদিন ০.০৮$ এর Paid Ads দেয়। যা ২০ টি এডে ভাগ করা থাকে । যেমন : $0.005 এর 10 টা এবং $0.003 এর 10 টা।
এ ছাড়াও এখানে প্রতিদিন ২০০ ফ্রি BAP পাওয়া যাবে। BAP হলো একধরনের এড এদেরকে Bonus Ad Point বলে এইগুলা আপনার যত বেশি হবে আয় ততো বেশি হবে।
                                            
:::::::রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া :::::::

রেজিস্ট্রেশন করতে হলে আপনাকে নিচের ব্যানারে ক্লিক করুন।

তারপর ডানদিকে উপরে Register এ ক্লিক করুন।
তারপর একটি ক্যাপচা আসবে সেখানে I am Not A Robot এ ক্লিক করে ক্যাপচা পুরন করুন।
বি:দ্র: যদি ক্লিক করার পরও সাইন না ওঠে তাহলে কিছু পিকচার আসবে সেইখানে কোন পিকচার ক্লিক করতে বলতেছে তা তাদের উপরের হেডলাইনে দেখুন দেখার পর পিকচারগুলোতে ক্লিক করে Verify এ ক্লিক করুন।
তারপর নিচে Register এ ক্লিক করুন। ফরম আসবে ভিডিওতে দেখানো মতো সুন্দর করে ফরমটি পূরন করুন।

যদি ইনভেস্ট না করে কাজ করেন তবে আপনাকে 1600 BAP হইতে অপেক্ষা করতে হবে।
যখন ৮ দিন 200 করে BAP দেখবেন তখন Paid Ad এ ০.০৮ সেন্টের এড পাবেন কেননা আপনার 1600 BAP হয়ে গেছে এবং আপনি গ্রুপ লেভেল 1 এ চলে এসেছেন। সেগুলোও BAP যেভাবে দেখেন সেইভাবে একইরকম করেই দেখবেন । অর্থাৎ আপনার যত গ্রুপের BAP থাকবে ততো গ্রুপের ইনকামও হবে।
দেখুন নিচে যারা Group 1-5  নিয়ে কিছু কথা :
Groups নিয়ে আলোচনা:
Groups 1 = 1600 – 14500 Bap
Groups 2 = 14500 – 26500 Bap
Groups 3 = 26500 – 51000 Bap
Groups 4 = 51000 – 99000 Bap
Groups 5 = 99000 – 184000 Bap
Etc…..
Groups প্রতি ইনকাম নিয়ে আলোচনা:
Groups 1 = 0.08 $
Groups 2 = 0.29 $
Groups 3 = 0.53 $
Groups 4 = 1.11 $
Groups 5 = 2.23 $
Etc….....................

এখানে আপনি ১৫৮% ইনভেস্টমেন্ট লাভ পাবেন। আপনি ১$ ইনভেস্ট করলে ১.৫৮$ পাবেন। ১০$ করলে ১৫$+ পাবেন।
এছাড়া Adsrimer এ প্রতিদিন কিছু BAPকেটে নিবে এবং সেই BAP প্রতি আপনাকে পেইড এড দিবে (১ BAP=0.0005 করে পাবেন)।
→Group ২ এ ৪৮০ BAP কেটে নিবে ,
→Group ৩ এ ৯৬০ BAP কেটে নিবে ,
→Group ৪ এ ১৯২০ BAP কেটে নিবে ,
→Group ৫ এ ৩৮৪০ BAP কেটে নিবে ইত্যাদি (১০০% সঠিক তথ্য)।
এজন্য BAP লেভেল ঠিক রাখার জন্য প্রতিনিয়ত এড প্যাক কিনতে হবে। প্রতি এড প্যাক এর মুল্য ১$।
এছাড়া যদি আপনার কিছু Referral থাকে তাহলে ইনকাম আরও অনেক বেড়ে যাবে।
এখানকার রেফারাল কমিশন ১২% প্রতি ads purchase এবং ৫% প্রতি paid ads দেখার জন্য।
৫$ হলেই আপনি টাকা তুলতে পারবেন।
Perfect Money, Bitcoin, Payeer, & Neteller support করে।
আমি যা এতক্ষন আলোচনা করলাম তা ১০০% সত্য যা অন্য কেউ বলবেনা।
Adstimer এ আপনি আরও ৩/৪ মাস নিচিন্তে কাজ করতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে Scam করবেনা বলে ১০০% বলা যায়। এমনকি আরও ২/৩ বছর ও চলতে পারে।
যদি আমার কথা ভাল লাগে তাহলে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন ব্যানারটি আবার দিলাম।
আবারও বলছি…
Register করার পর Bonus Ad Points এ ক্লিক করে ১০টি Ads দেখতে হবে।
এভাবে প্রতিদিন ২০০ Bap ফ্রি পাওয়া যাবে।
১৬০০ Bap হলে Group ১ হিসেবে মোট ০.০৮ এর ২০টি Paid Ads পাবেন।
যা Paid Ads এ ক্লিক করলে পাওয়া যাবে।
যদি আপনি ইনভেস্ট করে বাপ বাড়াতে চান তাহলে Add Funds এ ক্লিক করে তা করতে পারবেন। এরপর Buy Ads এ ক্লিক করে আপনার যে কোন রেফারেল link দিয়ে কয়টি Ads কিনতে চান তা সিলেক্ট করে Purchase এ ক্লিক করলে আপনার অ্যাকাউন্ট এ BAP যোগ হয়ে যাবে।
এরপর প্রতিদিন একটি সময়ে এই Bonus Ad Points এবং Paid Ads গুলি দেখতে হবে। আর একটি BAP  এ Group লেভেল ঠিক রাখতে হবে।

দেরি না করে এই বিশ্বস্ত সাইট টাতে নিঃসন্দেহে কাজ করতে পারেন। যোগ দিতে চাইলে Register এ Click করে এখনই শুরু করুন। 

ভাল থাকবেন সবাই
======খোদা হাফেজ======

Read More

Post Top Ad